Saturday, 29 July 2017

মেরহাবা, আওয়ারগি / শেষ পর্ব


ব কিছু কি আর মুছে ফেলা যায় ? অনেকটা উঁচুতে  ছাদের ডোম । ১৮০ ফুট লম্বা বাড়ি ।  ঘাড় উঁচু করে চোখ কপালে  তুলে দেখি সেই কোথায় ওপরে কাঁচের ভেতর দিয়ে সকালের রোদ্দুর এসে ছুঁয়ে যাচ্ছে মা আর শিশুর কোমল শরীর । পবিত্র প্রজ্ঞা ,আয়া সোফিয়ার আলো বিকীর্ণ হচ্ছে সেই প্রাসাদের মত বিশাল বাড়িটার ।  একেবারে ওপরে মা মেরির কোলে যিশু । মোজেইকের কাজ । “করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে কোথা নিয়ে যায় কাহারে /সহসা দেখিনু নয়ন মেলিয়ে এনেছ তোমারি দুয়ারে”গলা আপনিই  বুজে আসে , চোখ আপনিই বন্ধ হয় , আঙুলে আঙুল ঢুকে দুটো হাত আপনিই জড়ো হয়ে থুতনির কাছে উঠে  আসে । আয়া  সোফিয়া । পঞ্চম শতব্দী থেকে ইতিহাসের পালাবদলের সাক্ষী , বিশ্বের অন্যতম মহিমময় স্থাপত্য । আয়া সোফিয়ার মধ্যে সেই পুরোনো সময় পুরোনো  পরিবেশের একটা অতীন্দ্রিয় মোহজাল । প্রত্যেকটা অলি গলি সিঁড়ির বাঁকে  ছমছমে রহস্য । ফেলে আসা সময় যেন যেতে গিয়েও যাচ্ছে না । নিজেকে প্রচ্ছন্ন অথচ  প্রকট করে রেখেছে সব জায়গায় । পুরোনো নকশায় , রঙ চটা মোজাইকে , আর্চের কারুকাজে , ফ্রেস্কোতে ,  পাথুরে পাকদন্ডীতে , চক মিলানো মেঝেতে  সব জায়গায় সময় যেন থমকে আছে ।  এর বিশাল আয়তনে আজো ভিজে ভিজে  হয়ে রয়েছে   মধ্য যুগের ইতিহাসের গন্ধ  । সেই গন্ধ  আজো মুছে ফেলা যায় নি আয়া সোফিয়ার দেহ থেকে । সাতশ বছর ধরে কনস্টান্টিনোপল ছিল দুনিয়ার সেরা শহর । চতুর্থ ক্রুশেড  তছনছ করে দিল এই শহরটাকে । খ্রিস্টান এবং জেরুসালেম সমেত মধ্য প্রাচ্যের ইসলামদের এই ক্রুশেডে খ্রিস্টানরাই অর্থোডক্স আর রোমান ক্যাথলিকে ভাগ হয়ে নিজেদের দুর্বল করে দেয় । আয়া সোফিয়া এই তুলুম দলবাজি থেকে রেহাই পায় নি ।  প্রথমে ছিল গ্রিক অর্থোডক্স চার্চ । তারপরে রোমান ক্যাথলিক ।  আয়া সোফিয়ায় রোমান ক্যাথলিকদের তাণ্ডব । ধর্ম বশ মানে অর্থের । কন্সটান্টিনোপলের ধন সম্পদ লুটে নেওয়া ধর্মীয় সংহতির চেয়ে পরম রমনীয় মনে হয়ে ছিল  তাই “সুদূর নতুন দেশে সোনা আছে বলে/মহিলারি প্রতিভায় সে ধাতু উজ্জ্বল/  টের পেয়ে দ্রাক্ষা দুধ ময়ূর শয্যার কথা ভুলে “চার নম্বর ক্রুশেডে তিন দিন ধরে শহর লুঠপাট ।








 প্যারিস ,ভেনিস মিলানো জেনোয়া সব নগর থেকে  পিছিয়ে পড়ে কনস্টান্টিনোপল তখন ধুঁকছে , সেই তেরো শতকের প্রথম দিকে । সিল্ক রুটের পথও ঘুরে গেলো ।  তারপর ১৪৫৩ সনে অটোমান টার্কের হাতে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়লো বাইজান্টাইন রোম । এইসব  দামাল পালাবদলের ক্ষত আয়া সোফিয়ার সারা গায়ে । ভেঙে চুরে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তুলে ফেলা হয় অনেক  মূর্তি , অনেক  মহার্ঘ শিল্প কীর্তি । চারটি মিনার তুলে মসজিদ হয়ে গেল গির্জা । কিন্তু সব কি আর মুছে ফেলা যায় ? অনেক অনেক ওপরে দেওয়ালে ছাদে অপরূপ মোজেইকের বর্ণিল বিষণ্ণতার আড়ালে এক ধ্বংসের বিষাদ গাথা ।  বড় বড় ফলকে সোনালি অক্ষরে আল্লাহ্‌র নাম , সুলতানদের নাম  । মক্কামুখী মিরহাব । পাথুরে বিশালাকার পাকদন্ডী বেয়ে দোতলায় উঠি । পাহাড়ের ঢালের মত পথ ।  স্তম্ভ।খিলান, গম্বুজ ফ্রেস্কো , রঙিন নকশি কাঁচ । আলো আঁধারে সেই গুমগুমে বিশালের মধ্যে আচ্ছন্নের মত কিছু সময় মিশে যাওয়াএখন এটা মিউজিয়াম । কোন ধর্মীয় কাজকর্ম হয় না ।  






আয়া সোফিয়া থেকে বেরিয়ে বাইরের রোদ্দুরে ভেসে  যেতে যেতে টাটকা কমলালেবুর রস খেতে খেতে ব্লু মস্কের দিকে হাঁটা লাগালাম । এই জন্য সুলতান আহমেট স্কোয়ার জায়গাটা এতো ভালো লাগে । এখানে ট্রাম আসে কিন্তু যান জট এড়াতে বাস আসে না ।  সবকিছুই যেন হাতের নাগালে । তুরস্কে ব্লু মস্কে সবচেয়ে বেশি দর্শনার্থী আসেতারপরেই কোনিয়ার রুমি ।
ব্লু মস্কে মোট ছটি মিনার । ব্লুমস্ক বা সুলতান আহমেট মসজিদে বড় জাঁক । প্ল্যাস্টিকের জুতোর খোপে পা ঢুকিয়ে ভেতরে যাও । কিছুদিন আগেও তো যথেষ্ট আধুনিক ছিল । এখন অবিশ্যি পুজোপাঠের জায়গা রয়েছে । ফুল প্যান্ট না পরার জন্য একটা মেয়েকে ঢুকতে দিলো না । খুব কারু কাজ চারদিকে । খুব সুন্দর । নীল টালির ব্যাবহার । বেশ কিছুক্ষণ ঘুরে ঘুরে দেখলুম ।







সারা সন্ধে আবার সেই গুলতানি করেই কেটে গেলো । সত্যি কথা বলতে কি ইস্তানবুলের সন্ধে বেলার  আড্ডাগুলো প্রচন্ড আওয়ারগির । ভোলা কঠিন । তার মাদকতাই আলাদা । আসলে তুরস্কের নিজস্ব ঘরানাটা এতো বর্ণ ময় আর মজবুত, ওদের কারুর থেকে ধার নেবার ব্যাপারটা বিশেষ চোখে পড়ে না । মশলা কেনার সময় মশলা ভাই  বলছিল পেঁয়াজ কেটে লেবুর রস মাখিয়েএকটু সুমাক ছড়িয়ে দেবে , আঃ , যেন অমৃত । বন্ধুবরের মুখে যেন নিমের পাঁচন । আর পারিনা বাপু , সেই এক ঘেয়ে দইএর ঘোল ,বোরেক ,  গুচ্ছের স্যালাড , মোটা মোটা বাদামি ভাত,  ঝলসানো মাংস মাছ ।মেডিটেরানিয়ান খাবার ! নিকুচি করেছে । অন্য কোন ধরনের খাবার সহজে  পাওয়াই যায় না । ওমা ! যেমন বলা , ঠিক দেখি একটা কোরিয়ান রেস্তোরাঁ , হংস মধ্যে  বক যথা । সেখানে বন্ধুবর বেশ খানিকটা গারলিক চিকেন ,সাদা ভাত ,কিমচি খেয়ে  মুখে একশো পাওয়ারের বাতি জ্বেলে বলল  , উফ একটু স্বস্তি পাওয়া গেল ।
সেই স্বস্তি সঙ্গে করে নিয়ে ট্রামে চাপা হল । নেমে গেলাম গালাটা ব্রিজ । ওরে ব্বাবা , সেখানে তখন আরেক মস্তি । ওপরে নীল চকচকে আকাশ , গালাটা ব্রিজের নিচে চকচকে নীল মারমারা সাগরএই নীলের ক্যানভাসে ছোট্ট ছোট্ট সাদা ফেনার ঢেউ , ছোট বড় স্টিমার জাহাজ ,দূরে দূরে লম্বা লম্বা মিনার , কিন্তু সব্বাইকে ছাপিয়ে গেছে ব্রিজের ওপর দিয়ে ঝুলে থাকা রাশি রাশি ছিপ । অদ্ভুত মেছো গন্ধে চারদিকটা ভুরভুর করছে । মেছুয়াদের চাঁদের হাট । পোকা, কেঁচো , মাছের টোপ । গলা খেলিয়ে খেলিয়ে গানের তানকারি করার মত ছিপ খেলিয়ে খেলিয়ে মাছের পকড় আনাও একটা সাঙ্ঘাতিক ক্লাসিক্যাল ব্যাপার । বড় মাছ ধরা পড়লে ভালো , ছোট মাছ গুলো ওরা ছুঁড়ে মারছে আকাশে , ছোঁ মেরে নিয়ে যাচ্ছে সি গালের দল । মাছ , পাখি , মেছুয়া , বড়শি ফাতনা ,পাশে আবার লেবুর রস নুন দিয়ে শামুক গুগলির ফাস্টফুড কিয়স্ক । আমরা খুব খানিকটা মজা দেখে , এর পাশে ওর পাশে খানিকটা দাঁড়িয়ে , দু একটা মন্তব্য দু এক ফালি হাসি ছুঁড়ে দিয়ে ব্রিজের নিচে নেমে যাই ।





 সেখানে দেখি  সার সার খাবারের দোকান । সবাই প্রায় হাত পা ধরে ইন্দিস্তানি  ইন্দিস্তানি বলে মাছ খাওয়াতে চায় । এর মধ্যে একটা লোক বন্ধুবরের দিকে এগিয়ে এসে বলল ব্রাদার ,আমার নাম তুমি ভুলে গেছ , তাকিয়েও দেখলে না পর্যন্ত । আমি কিন্তু তোমাকে ভুলিনি । এসো ভাই , খাবে এসো । ভালো চিংড়ি এনে রেখেছি । এসো বসো । আমরা বললাম আমাদের অলরেডি খাওয়া দাওয়া হয়ে গেছে । পরে আসবো কেমন? লোকটা এসে বন্ধুবরকে জড়িয়ে ধরে বলল নিশ্চই আসবে । তুমি ভুলে গেলে কি হবে, আমি যে ভুলিনি ভাই ।
 আহা ! নাটক দেখে মন জুড়িয়ে গেল । হোক না নাটক , দরদ খানা দেখার মত । বন্ধুবর মাথা চুলকায় । কপালে ভাঁজ , চিন্তায় পড়েছে মনে হচ্ছে ।  ইতিমধ্যেই দুয়েকটা ট্যাক্সি ড্রাইভার বন্ধুবরকে ইরানি বলেছে । কাপাদোকিয়ার আজুরে কেভের মালিক ফারহাদ বলেছে তুমি আমার এক নিকট আত্মীয়ের মত দেখতে কিন্তু । সে কে , জিগ্যেস করায় বলেছিল, আমার শ্বশুর । কোনিয়ায় গাইড আহমেটকে দেখতে প্রায় বন্ধুবরের বাবার মত । তাই সে তার উৎস নিয়ে একটু ধন্ধে পড়ে গেল , মনে হল ।
হঠাত শুনি বোস্ফোরাস বোসফোরাস বলে কারা হাঁকডাক লাগিয়ে দিয়েছে এমিনোনু  স্কোয়ার থেকে বোসফোরাস ক্রুজ শুরু হবে । ভরন্ত বিকেল । চারদিকে যেন উৎসবের রোশনাই  । আমরাও টিকিট কেটে মিনি জাহাজের ছাদে চড়ে বসলুম । রোদ্দুরে ভেসে যাচ্ছে চারদিক  । নীল জলের রোদ মাখা  কুড়মুড়ে হাওয়া । উড়ে যাচ্ছে চুল , গলার উড়নি । মিনি জাহাজ বেশ খানিক পরে সময় মত ছাড়লো । আমার পাশে বসেছেন এক মহিলা , কি যেন বলছেন । আমি বললাম , নো তুরকিশ, ওনলি ইংলিশ । মহিলা কাকে একটা ডাকলেন , একটা সোনালি রঙ করা লম্বা চুল এসে হাজির । সেই মেয়েটা এক্কেবারে আজকের মেয়ে । সার কথা হল পাঁচ জন মহিলার একটা গ্রুপ এরা । সবাই এক পরিবারের । এরা থাকে তেহরানে । ইরানে সব জিনিসের  খুব দাম  । তাই সস্তার বাজার হাট করতে আমরা যেমন লেকটাউন থেকে হাতি বাগান যাই , এরা তেমনি মাত্র তিন ঘন্টার ফ্লাইটে তেহরান  থেকে ইস্তানবুল এসেছে । হপ্তা খানেক থাকবে । তারপর ফেরত । ইরান যেতে চাই শুনে বলল , চলে এসো , আরে দারুণ লাগবে । তবে হ্যাঁ , মাথাটা ঢেকে রাখতে  হবে ।  সমুদ্রের হাওয়ায় শঙ্খ চিলের মত উড়ে যাচ্ছে তার সোনালি রঙা খোলা চুল,  রঙচঙে সানগ্লাসে উপচে পড়ছে ক’দিনের লাগাম ছাড়া আনন্দ ।আহা , দেশে ফিরে গেলে এই সাধের চুল ঢেকে রাখতে হবে ।  সেলফি উঠছে পটাপট । ইনিবিনিইনিবিনি করে মহিলা কিছু বললেন , পেস্তা ভরা হাত এগিয়ে এলো । মেয়েটা বলল আমার দাদু একটা ইন্ডিয়ার গান  গাইতো , ইচক দানা বিচক দানা , দানে উপর দানা ইচক দানা । পাঁচ টা কৌতূহলী মুখ আমার দিকে চেয়ে । গানটার মানে কি বলতো ?
ইচক দানা বিচক দানা,  দানে উপর দানা  ইচক দানা/ ছজ্জে উপর লড়কি নাচে , লেড়কা  হ্যাঁয় দিওয়ানা ।
 আমি মানে  করে করে বলছি আর মেয়েটা ইনিবিনিইনিবিনি করে তর্জমা করছে । আর পাঁচটা মুখ খিল খিল করে হেসে এ ওর গায়ে ঢলে পড়ছে , যেন টিউলিপ বাগানে বাতাস বয়ে গেল মহিলা বলে দিলেন ইরানে গেলে  কোথায় কোথায় যাবো । সিরাজ , ইশফাহান , পারসেপোলিস । কোনো প্রবলেম নেই তো ? মেয়েটা হেসে কুটোপাটি, প্রবলেম ? হোয়াত প্রবলেম ?
দুদিনের প্রমোদ । ফুলের বনে যার পাশে যাই, তারেই লাগে ভালো । দুদিন পরেই ইরানে বোমা ফাটল ।
একদিকে এশিয়া অন্যদিকে ইওরোপ । বসফোরাসের দুদিকে চোখ জুড়োনো একের পর এক ছবি। আমার মাথার ভেতরে আওয়ারগির জোনাকি । বুকের মধ্যে তোলপাড় ।







গাইড মেসুট  বলেছিল ইভিল আই এর কথা ।তুরস্কে নেমেই দেখবে তোমাকে কারা যেন সবসময় দেখছে । ভালোর জন্যই দেখছে অবিশ্যি  । ওরা ইভিল আই । আজকাল আবার শুনতে পাই, গ্রিকদের মত ওদেরও ইভিল আই আছে । মেসুদ টিপ্পনি কাটে , তবে আমি বলি কি ? তুর্কি ইভিল আই, গ্রিসের চেয়ে ইভিলকে বেশি ঠেকাতে পারে!
রঙ্গরসিকতায় তুর্কি দের জুড়ি মেলা ভার । বাঙালিদের মত । তার ওপর দুধ ছাড়া তুরকিশ চা ,আমরা যার প্রতি ভক্তিতে একেবারে ভেসে গেছি । এক্সট্রা মালাই মারকে ,ইলাইচি চায়ের পায়েস খেতে হচ্ছে না ।

সারাদিন পর্যটনে পা টন টন । অসাড় ঘুম । পরদিন সোজা তোপকাপি প্যালেস । হয়তো বিপুলায়তন নয় কিন্তু মারাত্মক  গ্ল্যামার ।  রক্ষণাবেক্ষণ বেশ ভালো । অটোমান সুলতানদের প্রাসাদ । এখানে হজরত মোহম্মদের দাঁত আরও অনেক দুষ্প্রাপ্য জিনিশ পত্র রাখা আছে । আমিতো প্রাসাদ সৌন্দর্যের প্রেমে তখন পাগল  আওয়ারা । 









 আবার প্রশস্ত চাতাল থেকে গোল্ডেন হর্ন দেখা যায় , মারমারা  বোসফরাসের নীলে নীলে  প্রাসাদের সাদা বারান্দায়  সোনালি নীল সবুজ সেরামিকের নকশায়  নকশায় স্বপ্নের জাল বুনে তাকে রেখে এসেছি । কেউ তাকে ভেঙে দিও না । ছিঁড়ে  ফেলো না । আমাদের ভালোবাসাগুলো বেঁচে থাক । আমাদের স্বপ্ন গুলো বেঁচে থাক । আমরা যেন আবার অবাক হতে পারি , বিস্মিত হতে পারি , ভালবাসতে পারি ।এমনই সুন্দর থাকো , শহর আমার !
 “ থেঁৎলানো ফুল ,আইসক্রিমের ওপর রক্তের ছিন্টে ... গোলাপ বাগান জ্বলছে,সেখানে, ট্যাঙ্কের তলায় গুঁড়িয়ে যাচ্ছে আরব্য রজনীর বাঁকা চাঁদ “,আমাদের যেন দেখতে না হয় ।




কবিতা নাজিম হিকমত 

ছবি লেখক

4 comments:

  1. একেবারে মখমলী।যেমন ছবি,তেমনি লেখা!অপূর্ব!

    ReplyDelete
  2. ইশ কি যে ভাল আপনি

    ReplyDelete
  3. Beautiful pictures and amazing job you have done. Best wishes from Mandawa...!!!

    ReplyDelete